এবার মোদিবিরোধী পোস্টদাতাদের খুঁজছে পুলিশ

ভারতে সিজেপির নেতৃত্বে চলা যুব আন্দোলন শেষ হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নজরদারি বাড়িয়েছে দিল্লি পুলিশ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট শনাক্তে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে তদারকি চালানোর পাশাপাশি কিছু কনটেন্ট অপসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ভারতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতৃত্বে পরিচালিত যুব আন্দোলন শেষ হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নজরদারি জোরদার করেছে দিল্লি পুলিশ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে আপত্তিকর বা আইনবিরোধী বলে বিবেচিত পোস্ট শনাক্ত করতে বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যম পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
এ লক্ষ্যে দিল্লি পুলিশ ইতোমধ্যে কয়েকটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কর্তৃপক্ষকে নোটিশ পাঠিয়েছে। পাশাপাশি আন্দোলন-সংক্রান্ত কিছু ভিডিও ও মন্তব্য সরিয়ে ফেলার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। নতুন করে এ ধরনের কোনো পোস্ট শনাক্ত হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
এর আগে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগসহ আন্দোলনকারীদের বিভিন্ন দাবি নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে ইতিবাচক আশ্বাস পাওয়ার পর আন্দোলন স্থগিতের ঘোষণা দেয় সিজেপি। প্রায় এক মাস ধরে চলা এ কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয় গত ২৫ জুলাই।
সেদিন নয়াদিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে আয়োজিত এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে সিজেপির প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, সরকারের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে এবং পারস্পরিক আস্থার পরিবেশ তৈরি হওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সিজেপির দাবি, নিট (NEET) পরীক্ষায় ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়ে সরকার নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে। এছাড়া আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো প্রত্যাহারের আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত মে মাসে নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন শুরু হয়। পরবর্তীতে সেই আন্দোলন দেশের পরীক্ষা ব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে বৃহত্তর আন্দোলনে রূপ নেয়।
এর ধারাবাহিকতায় গত ২০ জুন অভিজিৎ দীপকের নেতৃত্বে সিজেপি দিল্লির যন্তর মন্তরে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি শুরু করে। পরে সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক আন্দোলনে যোগ দিলে আন্দোলনটি আরও ব্যাপকতা লাভ করে।
সূত্র: এনডিটিভি।
